কিভাবে ভারতকে হারিয়ে সিরিজ জিততে পারে বাংলাদেশ?
![]() |
| Image Source : Internet |
ইতিহাস
গড়ার থেকে একমাত্র এক পা দূরে
বাংলাদেশ।
পঞ্চম দল হিসেবে বাংলাদেশ কি পারবে ভারতকে হারিয়ে সিরিজ জিততে? উত্তরটা জানা যাবে রোববার রাতেই।
দিল্লিতে
প্রথম টি-টোয়েন্টিতে অসাধারণ
পারফরম্যান্সের পর রাজকোটে স্রেফ
উড়ে যায় বাংলাদেশ। নাগপুরে ভারতের বিপক্ষে কিভাবে জেতা সম্ভব সেটাই সবথেকে বড় প্রশ্ন।
ক্রিকেট বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ভারতের দুই ওপেনার রোহিত শর্মা ও শেখর ধাওয়ানকে আটকে দিতে পারলেই বাংলাদেশ অর্ধেক কাজ করে ফেলবে।
ক্রিকেট বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ভারতের দুই ওপেনার রোহিত শর্মা ও শেখর ধাওয়ানকে আটকে দিতে পারলেই বাংলাদেশ অর্ধেক কাজ করে ফেলবে।
অভিজ্ঞ
কোচ মোহাম্মদ সালাউদ্দিন মুঠোফোনে রাইজিংবিডিকে বলেন, ‘ভারতের সবথেকে শক্তির জায়গা ওদের ওপেনিং জুটি।
ধাওয়ান ও রোহিতের উপর ওদের ব্যাটিং নির্ভর করে। ওদেরকে যদি পাওয়ার প্লে’র আগে ফেরানো যায় সেক্ষেত্রে ভালো কিছুর প্রত্যাশা করা সম্ভব। কাজটা মোটেও অসম্ভব নয়।’
ধাওয়ান ও রোহিতের উপর ওদের ব্যাটিং নির্ভর করে। ওদেরকে যদি পাওয়ার প্লে’র আগে ফেরানো যায় সেক্ষেত্রে ভালো কিছুর প্রত্যাশা করা সম্ভব। কাজটা মোটেও অসম্ভব নয়।’
শফিউল
প্রথম ম্যাচে রোহিতের ইনিংস বড় করতে দেননি।
৯ রানে এলবিডব্লিউ হন রোহিত। ধাওয়ান
ইনিংস বড় করলেও দলের
দাবি মেটাতে পারেননি।
তবে দুজন দ্বিতীয় ম্যাচে ছিলেন রূদ্রমূর্তিতে। তাতে জ্বলে পুড়ে ছাড়খাড় বাংলাদেশ শিবির। সিরিজ জিততে বাংলাদেশের বড় বাঁধা হতে পারেন এ দুই অভিজ্ঞ ব্যাটসম্যানই।
তবে দুজন দ্বিতীয় ম্যাচে ছিলেন রূদ্রমূর্তিতে। তাতে জ্বলে পুড়ে ছাড়খাড় বাংলাদেশ শিবির। সিরিজ জিততে বাংলাদেশের বড় বাঁধা হতে পারেন এ দুই অভিজ্ঞ ব্যাটসম্যানই।
পাশাপাশি
সালাউদ্দিন আরও মনে করেন ইনিংসের মধ্যভাগে আরও দায়িত্বশীল ব্যাটিং করতে হবে বাংলাদেশকে।
এক্ষেত্রে তিনে থাকা সৌম্য, মুশফিক ও মাহমুদউল্লাহকে সেই দায়িত্ব নিতে হবে। তাদের থেকে বড় ইনিংসের প্রত্যাশায় বাংলাদেশের প্রাক্তন সহকারী কোচ।
এক্ষেত্রে তিনে থাকা সৌম্য, মুশফিক ও মাহমুদউল্লাহকে সেই দায়িত্ব নিতে হবে। তাদের থেকে বড় ইনিংসের প্রত্যাশায় বাংলাদেশের প্রাক্তন সহকারী কোচ।
‘লিটন-নাঈম ভালো শুরু এনে দিতে পারলে অবশ্যই পরের ব্যাটসম্যানদের দায়িত্ব হবে দলের রান বড় করা। সৌম্যর
সামর্থ্য আছে পাওয়ার হিটিংয়ের।
মুশফিক, মাহমুদউল্লাহরা পরীক্ষিত পারফর্মার। তাদের দুজনের একজনকে অবশ্যই শেষ পর্যন্ত টিকতে হবে। তাহলে বড় একটি রান প্রত্যাশা করা যাবে দলের থেকে।’
মুশফিক, মাহমুদউল্লাহরা পরীক্ষিত পারফর্মার। তাদের দুজনের একজনকে অবশ্যই শেষ পর্যন্ত টিকতে হবে। তাহলে বড় একটি রান প্রত্যাশা করা যাবে দলের থেকে।’
বোলিং
আক্রমণ নিয়ে ছেলেদের উপর পূর্ণ ভরসা সালাউদ্দিনের। তিন পেসার নাগপুরের উইকেটে ভালো করবে, বিশ্বাস তার। আর স্পিনাররা নিজেদের
মান ধরে রাখতে পারবে এমনটাই প্রত্যাশা।
‘বোলিং
আমাদের ভালো হয়েছে। শফিউল, আল-আমিন ভালো
করেছে। মুস্তাফিজকে মনে হতে পারে রান দিয়েছে। তবে একটা বাজে দিন যেতে পারে।
লেগ স্পিনার আমিনুল, আফিফ ভালোই করছে। ওদের উপর যথেষ্ট আস্থা আছে। আশা করছি সবাই ভালো করে একটা উপভোগ্য ফাইনাল উপহার দিতে পারবে।’
লেগ স্পিনার আমিনুল, আফিফ ভালোই করছে। ওদের উপর যথেষ্ট আস্থা আছে। আশা করছি সবাই ভালো করে একটা উপভোগ্য ফাইনাল উপহার দিতে পারবে।’
আন্তর্জাতিক
মঞ্চে তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজ
খেলার রেকর্ড খুব বেশি নেই বাংলাদেশের। ভারতের
বিপক্ষে চলতি সিরিজের আগে এই ধরনের তিনটি
সিরিজ খেলেছে টাইগাররা। যার দুটিতে জিতেছে, হেরেছে একটি। এবার কি সাফল্যের মুকুটে
যোগ হবে আরেকটি পালক?
