গোপন দুর্বলতায় ভায়াগ্রা নয়, কালোজিরা খান
![]() |
| Image Source : internet |
কালোজিয়া শুধু ছোট ছোট কালো দানা নয়,
এর মধ্যে রয়েছে বিস্ময়কর শক্তি। প্রাচীনকাল থেকে কালোজিরা মানবদেহের বিভিন্ন রোগের
প্রতিষেধক ও প্রতিরোধক।
শুধু এখানেই শেষ
নয়,
কালোজিরা
চুলপড়া,
মাথাব্যথা,
অনিদ্রা,
মাথা
ঝিমঝিম
করা,
মুখশ্রী
ও
সৌন্দর্য
রক্ষা,
অবসন্নতা-দুর্বলতা,
নিষ্ক্রিয়তা
ও
অলসতা,
আহারে
অরুচি
এবং
মস্তিষ্ক
শক্তি
তথা
স্মরণশক্তি
বাড়ায়।
এ ছাড়া অনেকে
গোপন
শক্তি
বাড়াতে
চিকিৎসকের
আশ্রয়
নেন
ও
ভায়াগ্রা
সেবন
করেন!
তাদের
বলছি-এর
জন্য
ভায়াগ্রা
নয়,
এক
চামুচ
কালোজিরাই
যথেষ্ট।
কারণ
কালোজিরায়
এ
ক্ষমতা
অপরিসীম।
বিশেষজ্ঞদের মতে,
কালোজিরায়
রয়েছে-ফসফেট,
লৌহ,
ফসফরাস,
কার্বো-হাইড্রেট
ছাড়াও
জীবাণুনাশক
বিভিন্ন
উপাদান।
কালোজিরায়
ক্যান্সার
প্রতিরোধক
কেরোটিন
ও
শক্তিশালী
হরমোন,
প্রস্রাবসংক্রান্ত
বিভিন্ন
রোগ
প্রতিরোধকারী
উপাদান,
পাচক
এনজাইম
ও
অম্লনাশক
উপাদান
এবং
অম্লরোগের
প্রতিষেধক।
আসুন জেনে নিই
কালোজিরায়
আর
কি
কি
উপকারিতা
রয়েছে-
মাথাব্যথা : মাথাব্যথায়
কপালে
উভয়
চিবুকে
ও
কানের
পার্শ্ববর্তী
স্থানে
দৈনিক
৩-৪
বার
কালোজিরার
তেল
মালিশ
করুণ।
তিন
দিন
খালি
পেটে
চা
চামচে
এক
চামচ
করে
তেল
পান
করুন
উপকার
পাবেন।
যৌন দুর্বলতা : কালোজিরা
চুর্ণ
ও
অলিভ
অয়েল,
৫০
গ্রাম
হেলেঞ্চার
রস
ও
২০০
গ্রাম
খাঁটি
মধু
একসঙ্গে
মিশিয়ে
সকালে
খাবারের
পর
এক
চামুচ
করে
খান।
এতে
গোপন
শক্তি
বৃদ্ধি
পাবে।
![]() |
| Image Source : internet |
চুলপড়া : লেবু
দিয়ে
সব
মাথার
খুলি
ভালোভাবে
ঘষুণ।
১৫
মিনিট
পর
শ্যাম্পু
দিয়ে
ধুয়ে
ফেলুন
ও
ভালোভাবে
মাথা
মুছে
ফেলুন।
তার
পর
মাথার
চুল
ভালোভাবে
শুকানোর
পর
সম্পূর্ণ
মাথার
খুলিতে
কালোজিরার
তেল
মালিশ
করুন।
এতে
এক
সপ্তাহেই
চুলপড়া
কমে
যাবে।
কফ ও হাঁপানি :
বুকে
ও
পিঠে
কালোজিরার
তেল
মালিশ
করুন।
এ
ক্ষেত্রে
হাঁপানিতে
উপকারী
অন্যান্য
মালিশের
সঙ্গে
এটি
মিশিয়েও
নেয়া
যেতে
পারে।
স্মৃতিশক্তি বাড়ে
ও
অ্যাজমায়
উন্নতি
ঘটে :
এক
চামচ
মধুতে
একটু
কালোজিরা
দিয়ে
খেয়ে
ফেলুন।
এতে
স্মৃতিশক্তি
বৃদ্ধি
পায়।
হালকা
উষ্ণ
পানিতে
কালোজিরা
মিলিয়ে
৪৫
দিনের
মতো
খেলে
অ্যাজমার
সমস্যার
উন্নতি
ঘটে।
ডায়াবেটিস : কালোজিরার
চূর্ণ
ও
ডালিমের
খোসা
চূর্ণ
মিশ্রণ
এবং
কালোজিরার
তেল
ডায়াবেটিসে
উপকারী।
মেদ ও হৃদরোগ :
চায়ের
সঙ্গে
নিয়মিত
কালোজিরা
মিশিয়ে
অথবা
এর
তেল
মিশিয়ে
পান
করলে
হৃদরোগে
যেমন
উপকার
হয়,
তেমনি
মেদ
কমে
যায়।
![]() |
| Image Source : internet |
অ্যাসিডিটি ও
গ্যাস্টিক :
এক
কাপ
দুধ
ও
এক
টেবিল
চামুচ
কালোজিরার
তেল
দৈনিক
তিনবার
৫-৭
দিন
সেবন
করতে
হবে।
এতে
গ্যাস্টিক
কমে
যাবে।
চোখে সমস্যা : রাতে
ঘুমানোর
আগে
চোখের
উভয়পাশে
ও
ভুরুতে
কালোজিরার
তেল
মালিশ
করুণ।
এক
কাপ
গাজরের
রসের
সঙ্গে
এক
মাস
কালোজিরা
তেল
সেবন
করুন।
উচ্চ রক্তচাপ : যখনই
গরম
পানীয়
বা
চা
পান
করবেন,
তখনই
কালোজিরা
খাবেন।
গরম
খাদ্য
বা
ভাত
খাওয়ার
সময়
কালোজিরার
ভর্তা
খান
রক্তচাপ
স্বাভাবিক
থাকবে।
এ
ছাড়া
কালোজিরা,
নিম
ও
রসুনের
তেল
একসঙ্গে
মিশিয়ে
মাথায়
ব্যবহার
করুণ।
এটি
২-৩
দিন
পরপর
করা
যায়।
জ্বর : সকাল-সন্ধ্যায়
লেবুর
রসের
সঙ্গে
এক
টেবিল
চামুচ
কালোজিরা
তেল
পান
করুণ।
আর
কালোজিরার
নস্যি
গ্রহণ
করুন।
স্ত্রীরোগ : প্রসব
ও
ভ্রুণ
সংরক্ষণে
কালোজিরা
মৌরী
ও
মধু
দৈনিক
৪
বার
খান।
সৌন্দর্য বৃদ্ধি :
অলিভ
অয়েল
ও
কালোজিরা
তেল
মিশিয়ে
মুখে
মেখে
এক
ঘণ্টা
পর
সাবান
দিয়ে
ধুয়ে
ফেলন।
বাত : পিঠে ও
অন্যান্য
বাতের
বেদনায়
কালোজিরার
তেল
মালিশ
করুন।
এ
ছাড়া
মধুসহ
প্রতিদিন
সকালে
কালোজিরা
সেবনে
স্বাস্থ্য
ভালো
থাকে।
দাঁত শক্ত করে :
দই
ও
কালোজিরার
মিশ্রণ
প্রতিদিন
দুবার
দাঁতে
ব্যবহার
করুন।
এতে
দাঁতে
শিরশিরে
অনুভূতি
ও
রক্তপাত
বন্ধ
হবে।
ওজন কমায় : যারা
ওজন
কমাতে
চান,
তাদের
খাদ্য
তালিকায়
উষ্ণ
পানি,
মধু
ও
লেবুর
রসের
মিশ্রণ
গুরুত্বপূর্ণ
হয়ে
ওঠে।
এখন
এই
মিশ্রণে
কিছু
কালোজিরা
পাউডার
ছিটিয়ে
দিন।
পান
করে
দারুণ
উপকার
পাবেন।


