একনেকে ৬ প্রকল্প অনুমোদন

https://www.intoinvent.com/2019/11/blog-post_9.html
দেশের ১২০ স্থানে কর মেলা, শুরু ১৪ নভেম্বর
পরিকল্পনা মন্ত্রী এম মান্নান বলেছেন, পেঁয়াজের যন্ত্রণার মধ্যেই সার্বিক মূল্যস্ফীতি কমেছে।

তিনি আরো বলেন, অক্টোবর মাসে পয়েন্ট টু পয়েন্টের ভিত্তিতে সাধারণ মূল্যস্ফীতির হার কমে হয়েছে দশমিক ৪৭ শতাংশ যা সেপ্টেম্বর মাসে ছিল দশমিক ৫৪ শতাংশ।

মঙ্গলবার পরিকল্পনা কমিশনের এনইসি সম্মেলনে কক্ষে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভা শেষে পরিকল্পনামন্ত্রী এম মান্নান এই তথ্য জানান।

এম মান্নান বলেন, ‘পেঁয়াজের যন্ত্রণা থাকা সত্ত্বেও সার্বিক মূল্যস্ফীতি কমেছে। পেঁয়াজের দাম বেড়েছে তবে অন্যান্য পণ্যের দাম কমেছে। সবজি, মাছ ফলমূলের দাম কমেছে।

মন্ত্রী বলেন, ‘বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) বাজারে সার্বিক মূল্যস্ফীতি কমেছে। মাছ, শাক-সবজি ফল জাতীয় দ্রব্যাদির মূল্য সেপ্টেম্বর মাসের তুলনায় অক্টোবর মাসে কমেছে। বাজারে শিম, মুলা, কাঁচা পেঁপে, করলা, পটল বরবটির দাম কমেছে।

চলতি বছরের অক্টোবর মাসে খাদ্য বহির্ভূত খাতে মূল্যস্ফীতির হার বেড়ে দশমিক ৪৯ শতাংশ হয়েছে।

গত মাসে এই খাতে মূল্যস্ফীতির হার ছিলো দশমিক ৭৩০ শতাংশ। বিবিএস এর হালনাগাদ তথ্যে দেখা গেছে, বছরওয়ারী পয়েন্ট টু পয়েন্টের ভিত্তিতে মে মাসে ডাল, চিনি, মুড়ি, মাছ, মাংস, ব্রয়লার মুরগি, ফল, তামাক, দুধজাতীয় দ্রব্যাদি এবং

অন্যান্য খাদ্য সামগ্রীর দাম বেড়েছে। মাসওয়ারী ডিম, শাক-সবজি মসলা জাতীয় দ্রব্যাদির দামও চড়া হয়েছে।

অক্টোবর মাসে খাদ্য বহির্ভূত পণ্যের মূল্যস্ফীতি কমে হয়েছে দশমিক ৪৫ শতাংশ, গত মাসে যা ছিলো দশমিক ৯২ শতাংশ।

বাড়ি ভাড়া, আসবাব পত্র, গৃহস্থালী, চিকিৎসা সেবা, পরিবহন, শিক্ষা উপকরণ এবং বিবিধ সেবা খাতের মূল্যস্ফীতির হার কমেছে।

এদিকে, সার্বিক মূল্যস্ফীতি শহরে কমে হয়েছে দশমিক ৬৭ শতাংশ। এর পরিমাণ সেপ্টেম্বর মাসে ছিল দশমিক ৮০ শতাংশ। শহরে খাদ্যপণ্যের মূল্যস্ফীতি বেড়ে দাঁড়িয়েছে দশমিক শূন্য ৩১ শতাংশে, যা তার আগের মাসে ছিল দশমিক ১০ শতাংশ।

আর খাদ্য বহিভূর্ত পণ্যের মূল্যস্ফীতি কমে হয়েছে দশমিক ০৯ শতাংশ, যা এর আগের মাসে ছিল দশমিক ৬১ শতাংশ।

Next Post Previous Post
No Comment
Add Comment
comment url
sr7themes.eu.org